নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন, সেক্ষেত্রে অবশ্যই এর সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি কি হতে পারে, কিভাবে প্রতিরোধ কিভাবে করা যেতে পারে, কারণ ও লক্ষণগুলি কি এবং সেইসঙ্গে ফুসফুস সুস্থ্য রাখতে কি কি করা যেতে পারে ইত্যাদি বিষয়ে জানতে নিচের লেখাগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
নিয়মিত-কাশি-ও-শ্বাসকষ্ট-হলে-কি-করবেন
আসলে ব্যক্তিকেন্দ্রিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের বৈভতায় ডুবে না থেকে, সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে পারলেই অনেক সমস্যার লাঘব হতে পারে, যা পরবর্তীতে আমার বা আমাদেরকে ভালো থাকতে সহায়তা করবে।

পেজ সূচিপত্রঃ নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন
যে সকল বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে
নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা পদ্ধতি কি হতে পারে
নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্টের প্রতিরোধ কিভাবে হতে পারে
ফুসফুস সুস্থ্য রাখতে কি কি করা যেতে পারে
শ্বাসকষ্টের সাধারণ কারণসমূহ
শ্বাসকষ্টের সাধারণ লক্ষণসমূহ
শেষ কথা

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেনঃ

অনেকেই আছেন, যারা অনেকক্ষণ পর্যন্ত কাশতে থাকে বা বিশেষ করে রাতের বেলায় কাশিটা বেড়ে যায়, আবার অনেকেরই কাশির সাথে সাথে শ্বাসকষ্টও বেড়ে যায়। আর এ ধরণের উপসর্গগুলিকে তারা হালকা ভাবে নেন এবং এককথায় গুরুত্ব দেন না। এমনকি ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ না করেই কেউ কেউ গুগলে সার্চ দিয়ে হাই পাওয়ারের অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খেয়ে থাকেন। এতে করে সাময়িক স্বস্তি মিললেও ঠিক কিছুদিন পরেই কিন্তু তাদের আবার একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তবে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ পরামর্শ দিয়েছেন যে, এই ধরণের ছোট ছোট বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়াটা অত্যন্ত জরুরী। কারণ হতে পারে যে, এটা শুধু ঠান্ডা লাগার জন্যই, বড় কোন সমস্যার হয়তো ইঙ্গিত।

আরও পড়ুনঃ ঠান্ডার সময়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে কেন

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন এর ক্ষেত্রে বর্তমানে এই ধরণের সমস্যাগুলি দিন দিন বেড়েই চলেছে। এর প্রধান কারণ অবশ্যই ধুমপান। কিন্তু তা ছাড়াও এর অন্যতম কারণ হলো দূষিত বাতাস, বিশেষ করে শহর এলাকায় বসবাস। কারণ এখন অনেক শহরাঞ্চলের বাতাসে ধুলা, কালো ধোয়া, বিষাক্ত গ্যাস বা ক্ষতিকর সূক্ষ কণা যা বাতাসে ভাসমান অবস্থায় নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করছে। আর খবরের কাগজ খুললেই দেখতে পাবেন, দিল্লি বা ঢাকার বায়ুদূষণের সংবাদ। সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য মতে, বর্তমানে বাতাসে ভাসমান অতি সূক্ষকণার পরিমাণ পিএম ২.৫, যা সহনশীল মাত্রার প্রায় ছয় গুণ বেশি। শুধুমাত্র এই কারণে বর্তমানে শ্বাসকষ্ট এবং ফুসফুসজনিত সমস্যায় ভুগছে বহু মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, ২০১৫ সালে ক্রোনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপডি)-এ প্রায় ৩১ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আবার তা ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৫ কোটি ১০ লক্ষ। অর্থাৎ প্রতি দশ সেকেণ্ডে সিওপিডি-তে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারাচ্ছে একজন মানুষ। সুতরাং এহেন অবস্থার কারণে চিকিৎসকেরা পরামর্শ/সতর্ক করে থাকেন যে, হঠাৎ শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, তীব্র কাশি বা বুকে চিনচিনে ব্যথা ইত্যাদি ধরণগুলো সিওপিডি’র লক্ষণ হতে পারে।

যে সকল বিষয়ে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবেঃ

যদি কাশি দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকে বা কোনমতেই তা থামছে না;
প্রচণ্ড কাশির চাপের কারণে গভীর ঘুম ভেঙে যাওয়া;
অনেক সময় সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করতে গেলে বুকে চিনচিনে ব্যথা বা বুকে চাপ লাগা;
বুকের ভেতর ঘন ঘন কফ জমা বা বিশেষ করে শীতের সময় তা আরও বেড়ে যাওয়া;
মাঝে মধ্যেই হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়া;
আবার অনেক সময় রাত্রে ঘুমাতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে আসা;
ইত্যাদি সমস্যাগুলো যদি দীর্ঘদিন চলমান থাকে, তাহলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করাটা অত্যন্ত জরুরী বা যুক্তিযুক্ত।

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসা পদ্ধতি কি হতে পারেঃ

যদি নিয়মিত কাশি এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বিদ্যমান বা চলমান থাকে, তার জন্য জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। অর্থাৎ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধুলো বা ধোঁয়া এড়িয়ে যাওয়া বা প্রয়োজনে মুখে মাস্ক ব্যবহার করা।

বিশেষ করে পালমোনারি ফাংশন টেস্টের মাধ্যমে সিওপিডি’র অবস্থান নির্ণয় করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী রোগীকে ওষুধ দিতে হবে।

চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ঔষুধ এবং পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে। আসলে চিকিৎসকের নির্দেশের বাইরে কোন কিছু না করাই ভালো।

ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ানোর বা কমাতে প্রশিক্ষণ অর্থাৎ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অনুশীলন করা যেতে পারে।

অনেক সময় রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে নাকে টিউবের মাধ্যমে অতিরিক্ত অক্সিজেন গ্রহণ করত হয়ে থাকে। অর্থাৎ এককথায় আমরা বলতে পারি যে, অক্সিজেন থেরাপি গ্রহণ করা।

এক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজন হলে অবশ্যই প্রতিবছর ফ্লু ভ্যাকসিন এবং নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়ার টিকা নিতে হবে।

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্টের প্রতিরোধ কিভাবে হতে পারেঃ

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে তা বিভিন্ন ভাবে প্রতিরোধ করা যেতে পারে। যেমন-
ধূমপান পরিত্যাগ করতে হবে। অর্থাৎ কাশি এবং শ্বাসকষ্টের জন্য একটি অন্যতম কারণ হলো ধূমপান। তাই প্রথম কাজ হচ্ছে ধূমপান পরিত্যাগ করা। এর পাশাপাশি যেন পরোক্ষ ধোঁয়াও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

যে বিষয়গুলিতে এ্যালার্জি হতে পারে বা হওয়ার সম্ভাবনা আছে এমন বিষয়গুলিও এড়িয়ে যেতে হবে। যেমন-অনেকের তীব্র গন্ধ, ফুলের পরাগায়ন বা ফুলের গন্ধ,ধোঁয়া ইত্যাদি। অর্থাৎ এসব বিষয়গুলি নিজেকেই ঠিক করে নিতে হবে।

আরও পড়ুনঃ শিশুর-এডিনয়েড-এর-কারণ-লক্ষণ-ও-প্রতিকার-কি

স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে। অর্থাৎ প্রতিদিন সঠিক সময়ে/নিয়ামানুযায়ী স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ করা হলে, তা হৃদপিণ্ড এবং ফুসফুস দুটোই সুস্থ্য ও সবল রাখতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া শুধু খেলেই হবে না, তার সঙ্গে নিয়মিত ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে।

পরিস্কার-পরিছন্ন থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। এক্ষেত্রে খাদ্য গ্রহণের আগে অবশ্যই নিয়মিত সাবান বা হ্যান্ড হাইজিন দিয়ে অন্তত ৩০ সেকেণ্ড পর্যন্ত হাত ধুতে হবে।

অনেক সময় অতিরিক্ত কাশির কারণে গলায় অস্বস্তি ভাব শুরু হয়। তাই এক্ষেত্রে গরম লবণ জল দিয়ে গার্গল করা যেতে পারে। এতে করে গলার মধ্যে থাকা অস্বস্তি ভাবটা কমে যাবে।

ফুসফুস সুস্থ্য রাখতে কি কি করা যেতে পারেঃ

সুস্থ্য ও সবল ফুসফুস রাখতে অবশ্যই ধূমপান এবং বায়ু দূষণ এড়িয়ে চলতে হবে। এ ছাড়াও নিয়মিত ব্যায়াম (যেমন-সাঁতার, হাঁটা ইত্যাদি) করতে হবে। বেশি করে পানি পান এবং সেইসাথে সময়মত ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ জরুরী। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করাও অত্যন্ত জরুরী। মনে রাখতে হবে, ফুসফুসকে ঠিক রাখতে বা ভালো রাখতে হলে সর্বাগ্রে প্রয়োজন নিজের সচেতনতা, আর এই সচেতনতার ধাপগুলিই উপরে বর্ণিত হয়েছে। অনেকে আছেন, যারা হাসতে চান না বা হাসলেও মুখ টিপে। কিন্তু মনে রাখবেন, ফুসফুসকে ঠিক রাখতে  হবে, অবশ্যই উচ্চস্বরে হাসতে হবে। কারণ হাসিও ফুসফুসের পেশীগুলোকে সক্রিয় করে। তবে যে কোন ব্যায়াম বা ফুসফুসের সমস্যা থাকলে সর্বাগ্রে তা চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

শ্বাসকষ্টের সাধারণ কারণসমূহঃ

সাধারণত অ্যাস্থমা হচ্ছে একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ। অর্থাৎ এর ফলে শ্বাসনালী সরু হয়ে যায় এবং শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে যাদের অ্যাস্থমা আছে সাধারণত তাদের শ্বাসকষ্ট হয়ে থাকে।

আমরা জানি যে, নিউমোনিয়া হয় ফুসফুসের সংক্রমণের কারণে। সুতরাং নিউমোনিয়াও ফুসফুসের কারণসমূহের মধ্যে একটি।

অনেকের অ্যালার্জিজনিত কারনে শ্বাসকষ্ট হতে পারে বা শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে। যেমন-ধুলো, পরাগ, খাবার, পুরাতন পোষাক পরিধানে দীর্ঘদিনের গুমোট বা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়া ইত্যাদির কারণে অ্যালার্জি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে।

অনেকের আবার নানারকম মানসিক চাপের কারণেও শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। অর্থাৎ হঠাৎ কোন কারণে প্রচণ্ড মানসিক বৃদ্ধি পায়, তাহলে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটে অ্যাপ্সাইটি এবং প্যানিক অ্যাটাক হিসেবে।

অনেক সময় অনিয়ন্ত্রিত জীবন যাপনের ফলে ফুসফুসের চারপাশে তরল জমে যায় যাকে বলে প্লুরাল এফিউশন। অর্থাৎ উক্ত কারণটিও শ্বাসকষ্টের কারণ হিসেবে প্রতীয়মান।

ক্রোনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপডি) হচ্ছে ফুসফুসের একটি দীর্ঘস্থায়ী রোগ, যাতে শ্বাসনালী ও ফুসফুসের বাতাসের থলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এবার তাহলে স্বভাবতই আমাদের জানার দরকার, শ্বাসকষ্টের লক্ষণগুলি কি কি হতে পারে তা নিম্নের আলোচনা থেকে জেনে নিতে পারেন।

শ্বাসকষ্টের সাধারণ লক্ষণসমূহঃ

সাধারণত শ্বাসকষ্টের সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে যেমন-শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, অনেক সময় বুকে চাপ অনুভবর করা, হাঁপানি, দীর্ঘমেয়াদী কাশি, বুকে ব্যথা অনুভব করা, শরীরে দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ, ঘন ঘন ঘেমে যাওয়া এবং হঠাৎ করেই চোখ ঘোলা হয়ে যাওয়া। অর্থাৎ উপরোক্ত বিষয়গুলি যদি লক্ষ্য করা যায়, তাহলে সহজেই অনুমেয় যে, শরীরে শ্বাসকষ্টের কোন ব্যাঘাত ঘটতে চলেছে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াটা অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত এবং বুন্ধিমানের কাজ।

নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন-শেষ কথাঃ

প্রকৃত সত্য হল, উপরে উল্লেখিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী নিয়মিত কাশি এবং শ্বাসকষ্ট একটি অত্যন্ত ভয়াবহ সমস্যা। বলাবাহুল্য যে, নিত্য নৈমিত্তিক মানুষের উচ্চাভিলাসী জীবনযাপন, অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং সর্বোপরি মূল যে বিষয়টা যা সমগ্র ব্যবস্থাপনায় আঘাত হানে, তা হলো সচেতনতা। অর্থাৎ একজন ব্যক্তি যদি সচেতন হয়, তাহলে কিন্তু অনেক সমস্যা বা অকালে যাদের মৃত্যু ঘটছে তা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হয়। আসলে মানুষ শুধু যদি ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে এই ধরণের সমস্যাগুলি দিনকে দিন বাড়তেই থাকবে যা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

আরও পড়ুনঃ ইঁদুর কিভাবে বংশবিস্তার করে থাকে - ইঁদুর কী কী রোগের বাহক

খেয়াল করলে দেখা যায়, ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কোন কারখানা স্থাপন অথবা যত্রতত্র ইমারত নির্মাণ অথবা ময়লা ফেলা ইত্যাদি নানা কারণেই শারীরিক নানা সমস্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়ে যাচ্ছে। যাইহোক আজকের নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন বিষয়ক আলোচনাটি আশাকরি আপনার বুঝতে পেরেছেন। সুতরাং আজকের আলোচ্য বিষয়ে আপনার যদি কোন মন্তব্য/পরামর্শ থাকে তাহলে তা কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। আর নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন বিষয়টি থেকে আপনার জ্ঞানের সাগরে যদি কিছু সঞ্চিত হয়, তাহলে তা অন্যদেরও শেয়ার করতে পারেন। পরিশেষে উপরে উল্লেখিত নিয়মিত কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলে কি করবেন বিষয়ের সাথে আপনার দীর্ঘক্ষণ সম্পৃক্ততা এবং অবস্থানের কারণে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এবং সেইসঙ্গে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ভালো থাকবেন, সুস্থ্য থাকবেন সবাই।
___________________________________________________________________________________
বি.দ্র.: মূলত এই ব্লকে প্রদত্ত তথ্যগুলি শুধুমাত্র সাধারণ জ্ঞান এবং তথ্যের উদ্দেশ্যে প্রণীত, এটি কোন চিকিৎসা পরামর্শ নয়। আপনার চিকিৎসা সংক্রান্ত যে কোন উদ্বেগের জন্য অবশ্যই একজন যোগ্যতাসম্পন্ন এবং স্বাস্থ্যসেবা চিকিৎসকের সঙ্গে অবশ্যই পরামর্শ করতে পারেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url
Mithu Sarker
Mithu Sarker
আমি মিঠু সরকার, দুই বছর ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং ও এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখে আসছি। ব্লগ পোস্ট, ওয়েব কনটেন্ট ও মার্কেটিং রাইটিংয়ে আমার বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। মানসম্মত ও পাঠকবান্ধব লেখার মাধ্যমে অনলাইন সফলতা গড়াই আমার লক্ষ্য।